জ্বীনদের একাল সেকাল!

last year

images (1).jpeg

Image source

সেই ছোটবেলার কথা। দাদা-দাদুদের কাছে ভূতের গল্প শুনতাম। হরেক রকমের গল্প শুনাতেন তারা। আমিও সেগুলোকে সত্যি বলেই ভেবে নিতাম। তখন আমার মনে বিশ্বাস জেগেছিল যে এই পৃথিবীতে ভূতেরও বসবাস রয়েছে, সেই সাথে রয়েছে পরী পেতপেত্নীর বসবাসও। তবে একসময় এসে জানতে পারলাম যে ভূত, পরী, পেত্নী বলতে কিছু নেই। এগুলো কাল্পনিক চরিত্র মাত্র। তবে ভূত - পেত্নী বলতে কিছু না থাকলেও রয়েছে জ্বীনের বসবাস। অনেকের মুখে এটাও শুনেছি যে ভূত - পেত্নীরাই জ্বীন জাতি।

যাকগে সে কথা, মুরুব্বীদের কাছে শুনেছি জ্বীনদের বেশ কিছু অদ্ভুদ ও ভয়ংকর বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা জ্বীন জাতিকে মানুষের থেকে আলাদা করে। তাদের মধ্যে অন্যতম বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট্য হল তারা দৃশ্যমান ও অদৃশ্যমান উভয় অবস্থাতেই থাকতে পারে। তারা নিজেদের রুপের পরিবর্তন করে যেকোনো মানুষের রুপ ধারণ করতে পারে। এটাও শুনেছি যে জ্বীনেরা নাকি মানুষের নাকের ছিদ্রতে শুয়ে ঘুমাতেও পারে এমনকি তারা সেই ক্ষুদ্র স্থানে বসেই মানুষকে নানান কুমন্ত্রণা দিয়ে তাদেরকে পথভ্রষ্ট করে।

কালের বিবর্তনে পৃথিবীতে বিশাল এক পরিবর্তন এসেছে। চ্যাপ্টা পৃথিবীর ধারণা থেকে বেরিয়ে এসে এখন মানুষ বিশ্বাস করে গোলাকার পৃথিবীতে। মানুষেরা শুধু এভারেস্ট জয় করেই থেমে নেই, তারা চাঁদ জয় করতেও সক্ষম হয়েছে। পৃথিবী হয়েছে এখন ডিজিটাল। তাছাড়াও টেলিফোন, স্মার্টফোন ও ইন্টারনেটের আবিষ্কারের ফলে মানুষের জীবনযাত্রার এসেছে সুবিশাল এক পরিবর্তন। বিজ্ঞানের এই যুগে থেকে নেই জ্বীনেরাও। তারাও এখন বিজ্ঞানের সুবিধা নিয়ে এগিয়ে গিয়েছে অনেকদূর। তারা হয়তবা ভুলে গিয়েছে অদৃশ্য হওয়ার কৌশল, তারা ভুলে গিয়েছে রুপ পরিবর্তনের কৌশল, তারা এখন আর নাকের ক্ষুদ্র ছিদ্রতে ঘুমাতে পারেনা, তবে তারা একদেশে থেকে অন্যদেশে যোগাযোগ রক্ষা করতে পারে ঠিকই। তবে সেটা কোনো গায়েবি শক্তি দিয়ে নয়, তারা যোগাযোগ রক্ষা করে বিজ্ঞানের আবিষ্কার মোবাইল ফোন দিয়ে।

উপরে বলেছিলাম যে মানুষ চ্যাপ্টা পৃথিবীর ধারণা থেকে বেরিয়ে এসে গোলাকার পৃথিবীতে বিশ্বাস করে সেটা আসলে ভুল তথ্য। এই পৃথিবীতে এখনও অনেক মানুষ আছে যারা চ্যাপ্টা পৃথিবীর ধারণা থেকে বেরিয়ে এসে উঁচু - নিচু পৃথিবীতে বিশ্বাস করতে শুরু করেছে। তাইতো সকল গায়েবি শক্তি ভুলে গেলেও প্রযুক্তির সুবিধা নিয়ে কিছু জ্বীন আজ কোটি কোটি টাকার মালিক। এই জ্বীনেরা কখনও আসে অমুক দরবারের পীর মহাশয়ের শরীরে আবার কখনও এসে ভর করে তমুক পীর সাহেবের শরীরে। তবে হ্যা, এই ডিজিটাল জ্বীনেরা এখন আর মানুষের সর্বনাশ করেনা। এরা এখন কাউকে গুপ্ত ধনের সন্ধান দিয়ে কোটিপতি বানিয়ে দিচ্ছে আবার কারো ভেঙে যাওয়া সংসার জোড়া লাগিয়ে দিচ্ছে। অনেক সময় ঝাড়-ফুঁক দিয়ে নিরাময় করে থাকেন নানান ধরণের রোগও। তবে জ্বীনেরা এখন আর ফ্রীতে কিছুই করেন না। তার জন্য গুণতে হয় মোটা অঙ্কের টাকা।

জ্বীনেরা আজ ডিজিটাল হয়েছে তবে বোকা চন্দ্র রয়ে গেল শুধু কিছু সংখ্যক মানুষ।





Follow WeKu Official on social media:

Facebook:
https://www.facebook.com/weku.chain.3

Twitter:
https://twitter.com/WeKuBlockchain

YouTube:
https://www.youtube.com/channel/UC2jRdsmDshSExpaCbVhghtw

Telegram:
https://t.me/joinchat/HfYdIFAe4k2ZXOH1P6ozHA

Discord:
https://discord.gg/zPTpGP7



Screenshot 2019-03-01 at 16.46.02.png


In case you want to appeal or let us know about any kind of abuse that you might have came across in the platform, feel free to reach us here:

WeKuBusters Official Discord

https://discord.gg/GwmYBnV

Screenshot 2019-02-11 at 01.18.08.png
Screenshot 2019-02-14 at 22.06.36.png

Authors get paid when people like you upvote their post.
If you enjoyed what you read here, create your account today and start earning FREE WEKU!
Sort Order:  trending

a very good story, my grandfather came from bengali, who lived in Aceh for decades and I often tell various stories by my grandfather, but now my grandfather has edited I miss him

Have a great day sir. We are Weku!

আপনি যা বলছেন তাতে দৃ strongly়ভাবে একমত আমাদের পুরনো মাস্টার্স, কিন্তু আজকাল বাবা-মা খুব পুরানো, এ জাতীয় জিনিস আর সভ্য করে না। আপনাকে সালাম জানাই